
এর মধ্যে ১৩ জন শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। জেলা সিভিল সার্জন আবু সাঈদ মোহাম্মদ ফারুক বলেছেন, এই মুহূর্তে আমাদের হাসপাতালে ৭ জন সম্ভাব্য হামের রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের অবস্থা ভালো। আমরা তাদের নমুনা নিয়েছি। গুরত্বের সঙ্গে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ফরিদপুরে শিশুদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ফরিদপুর জেলার দুটি সরকারি হাসপাতালে বর্তমানে মোট ১৪টি শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি আছেন। তবে ফরিদপুর জেলায় এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সিভিল সার্জন আরো জানান, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালে এসব শিশু ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ জন এবং সদর হাসপাতালে ৬ শিশু চিকিৎসাধীন আছে। তাদের সবার শরীরে জ্বর, লালচে ফুসকুড়ি, কাশি ও চোখ লাল হওয়ার মতো হামের সাধারণ উপসর্গ দেখা গেছে। হাম: কীভাবে বুঝবেন কী করবেন। কী ভাবে বুঝবেন: হামের লক্ষণগুলো কয়েক ধাপে দেখা দেয়।
সব লক্ষণ একসাথে দেখা নাও যেতে পারে। জ্বর ও কাশি,নাক দিয়ে পানি পড়া,চোখ লাল হওয়া বা পানি পড়া সবাই আক্রান্ত হতে পারে, তবে ঝুঁকি বেশি টিকা না নেওয়া ছোট শিশু, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, গর্ভবতী নারী। কীভাবে ছড়ায়: আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচি এবং শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি বা সংস্পর্শে থাকলে ঝুঁকি বাড়ে। ভিড় বা বদ্ধ জায়গায় সহজে ছড়ায়।
যা করণীয়: হামের লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে আলাদা ঘরে রাখুন, দরজা জানালা খোলা রাখুন। লক্ষণ দেখা মাত্র দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন এ ক্যাপসুল দিন। গর্ভবতী নারী ও দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের দূরে রাখুন প্রচুর তরল খাবার, ফলের রস ও পুষ্টিকর সুষম খাবার দিন। ভয় নয়, সচেতন থাকুন। হামের ঝুঁকি কমাতে ৯ মাস বয়স হলেই শিশুর হামের টিকা নিশ্চিত করুন।
Leave a Reply