এতো মানুষ মরলে হাজার হাজার গণকবর পাওয়া যেতো, সেরকম কিছু নাই। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বাংলাদেশের অধিকাংশ এলাকায় নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর – বাওর, বন – জঙ্গলের কারণে যেতে পারেনি। মাত্র কয়েকটি শহরে গিয়েছে, যেখানে যোগাযোগ ভাল ছিল।
পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নৌ-অবরোধের কারণে সেনাবাহিনীর অস্ত্রের চালানও ছিল খুবই সীমিত। সিরিয়ার ১৪ বছরের যুদ্ধে পুরো সিরিয়া বিধ্বস্ত হওয়ার পরেও নিহত হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ। ইরাক-ইরান ৮ বছরের যুদ্ধে বিশাল এলাকা বিধ্বস্ত হলেও নিহত হয়েছে পাঁচ লাখ। আফগানিস্তান-আমেরিকার ২১ বছরের যুদ্ধে নিহত হয়েছে আনুমানিক ২ লাখ। এদিকে, বাংলাদেশে ৯ মাসের যুদ্ধে, নাকি ৩০ লাখ মরছে।
সংগৃহীত
মানে, ফটকাবাজির জায়গা পায় না। দেশে ৪৫৭৮টি ইউনিয়ন রয়েছে। ৩০ লক্ষ লোক নিহত হলে প্রতি ইউনিয়নে ৬৫৫ জন নিহত হয়েছেন। ভেবে দেখুন- আপনার ইউনিয়নে কতজন লোক নিহত হয়েছিলেন। ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, ২৬৬ দিন মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। এতে যদি ৩০ লক্ষ লোক নিহত হন তাহলে প্রতিদিন ১১,২৭৮ জন মানুষ নিহত হয়েছে। বিশ্বের ইতিহাসের এমন কোনো আগ্রাসন বা গণহত্যার ঘটনা নেই, যেখানে প্রতিদিন ১১ সহস্রাধিক লোক নিহত হয়েছেন। এটা চরম উদ্ভট ও বানোয়াট তথ্য। এই নিহতের সংখ্যা ৩০ লক্ষতো নয়ই, ৩ লক্ষও হবে না।
এ কারণে বাংলাদেশ গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি। স্বাধীনতার ৫৩ বছরের মধ্যে : ১) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যা, ধর্ষণের অপরাধে মামলা করেনি। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালেও মামলা করেনি। ২) ধর্ষিতা নারীদের তালিকা করেনি। ধর্ষিতা নারীদের তালিকা সর্বসমক্ষে প্রকাশ করেনি। ৩) নিহত লোকজনের তালিকা করেনি।
নিহত লোকজনের তালিকা সর্বসমক্ষে প্রকাশ করেনি। কারণ লিস্ট করতে গেলে এক লাখের বেশি নাম পাওয়া যায়না। নিহতদের মধ্যে আছে মুক্তিযোদ্ধা, রাজাকার, সিভিল বাঙালি, সিভিল বিহারী সবাই। সব নিহত মিলে ১ লাখও পাওয়া যায়না। টাইমস অব ইন্ডিয়া পত্রিকা এক গবেষণার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, নিহতের সংখ্যা ২ লাখ ৬৯ হাজার। প্রতিবাদী যুবক
Leave a Reply