
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০২৬: মানবসেবা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধের অনন্য বার্তা নিয়ে লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫ বি-১, বাংলাদেশের উদ্যোগে অক্টোবর সেবা সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর গুলশান ক্লাব লিমিটেডের ক্রিস্টাল হল, লেভেল-৪-এ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেলার দুই শতাধিক লায়ন সদস্যসহ লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা গভর্নর ড. খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার, কেবিনেট সেক্রেটারি ড. মুহিব শাহীন, কেবিনেট ট্রেজারার মাহমুদা মিলা, অক্টোবর সার্ভিস কমিটির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, সেক্রেটারি জাকির হোসেন মুকুল এবং কমিটির ট্রেজারার ডা. মোশায়েদ রহমান মুন (Dr. Moshaed Rahman Moon)-সহ জেলার অন্যান্য বিশিষ্ট লায়ন নেতৃবৃন্দ।
মানবতার কল্যাণে নিরলস সেবার আহ্বান
অক্টোবর সেবা সপ্তাহের বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রমের তাৎপর্য তুলে ধরে অনুষ্ঠানে সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর গুরুত্ব বিশেষভাবে আলোচিত হয়। বক্তারা মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা, সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
ডা. মোশায়েদ রহমান মুন: “যেখানেই মানবতা বঞ্চিত, সেখানেই আমাদের সেবা পৌঁছে যাবে”
অনুষ্ঠানে অক্টোবর সার্ভিস কমিটির ট্রেজারার ডা. মোশায়েদ রহমান মুন মানবসেবার সর্বজনীন আদর্শের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন,
“বিশ্বব্যাপী অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের সেবা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। যেখানেই মানবতা বঞ্চিত, সেখানেই আমাদের সেবা পৌঁছে যাবে।”
তিনি আরও বলেন, মানবতার কল্যাণে লায়ন্স সদস্যদের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সহযোগিতা, আন্তরিকতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তব ও কার্যকর অবদান রাখা সম্ভব।
ডা. মোশায়েদ রহমান মুন সেবাকে কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর ধারাবাহিক অঙ্গীকারে পরিণত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর বক্তব্যে মানবতার প্রতি দায়বদ্ধতা, সহমর্মিতা এবং মানুষের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার বার্তা প্রতিফলিত হয়।
সেবার আদর্শে ঐক্যবদ্ধ লায়ন্স পরিবার
অক্টোবর সেবা সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠান লায়ন সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ ও সেবার মানসিকতাকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয়। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন উপস্থিত সদস্যরা।
অনুষ্ঠানের মূল প্রত্যয় ছিল—মানবতার কল্যাণে সম্মিলিত উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করা এবং সেবার আলো সমাজের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া।
বিশেষ বার্তা: মানবতার সেবা শুধু একটি কর্মসূচি নয়; এটি মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, ভালোবাসা ও আজীবন অঙ্গীকার।
Leave a Reply