বুধবার, ২৯ Jul ২০২৬, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বিএডিসিতে প্রভাবশালী পিডি আবীরের অঘোষিত ক্যাশিয়ার কামরুজ্জামানের সিন্ডিকেট- ভোক্তা অধিকার আইনের তোয়াক্কা না করেই চলছে বাজারজুড়ে রঙিন আলোর ব্যবহার- ভারপ্রাপ্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন- সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একেই পরিবারের তিন সদস্য নিহত – পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক। রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকায় সোভিয়েত ও রাশিয়ান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (SAAB) ১৪তম কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত- বাংলাদেশের সামুদ্রিক ও বন্দর খাতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো- দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে মাদকবিরোধী অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভাঙচুরের অভিযোগ, অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্ততি নির্বাচন কমিশন ( ইসি )। ব্রাজিলের হতাশার রেকর্ড- ৫ আগস্টের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয় : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক লাখ শিক্ষক নতুন নিয়োগ দেবে সরকার । রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকায় অর্ধ-বার্ষিক সংবাদ সম্মেলন- ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট ২ মাসের মধ্যে জমা নেওয়ার দাবি । ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করলো ভারত আগামী ২৮ জুন থেকে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: যে ৬ জেলায় মোতায়েন হচ্ছে সেনা। রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪ গোপালগঞ্জে বিদ্যুৎ সংকট চরমে, রেকর্ড লোডশেডিং, বিপাকে গ্রাহকরা- গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীর বাস ভাড়া মাত্র ৫ টাকা। মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ নিহত সংখ্যাটি পুরোপুরি অতিরঞ্জিত কি । ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিয়ে বাড়িতে খাবার কম দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইন ইস্যুতে দিল্লির বৈঠকে কঠোর বার্তা দেবে বিজিবি। গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর উপজেলার রাঘদী ইউনিয়নে মাদক বিরোধী মানববন্ধন। গোপালগঞ্জে বজ্রপাতে নিহত এক জন। হামের ছোবল, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু । প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরের সামনে আসায় এক ব্যক্তি আটক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানালেন,পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.খলিলুর রহমানকে। ফরিদপুরে বিদেশি পিস্তল উদ্ধার জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৭:৩০ টায় ৮ ঘণ্টায় সরবে প্রথম দিনের কোরবানির বর্জ্য: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী। সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মহাসড়কে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ২ । ড. ইউনূস ও সাবেক উপদেষ্টাসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট বিগত ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতিকে ফোকলা করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফরিদপুরে ছাত্রদলের মোটর শোভাযাত্রা। ছাত্রলীগ নেতার মায়ের ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা অভিযোগ- গোপালগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা ফরিদপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম জন্মবার্ষিকী পালন । জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার মতবিনিময়- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’ (নিকার)-এর ১২০তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফরিদপুর প্রেসক্লাবে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন অবশেষে চালু হচ্ছে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা ৬ মে থেকে. রংপুরে জলবায়ু ও জেন্ডার ন্যায্যতা নিয়ে অ্যাডভোকেসি সংলাপের আয়োজন করে WEAVE Bangladesh. ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত: নতুন কর্মসূচি ঘোষণা মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ- ফরিদপুরে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের ফরিদপুরে মানব পাচার ও প্রতারণার বিরুদ্ধে মানববন্ধন। ফরিদপুরে জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নতুন ৩৬ জন আক্রান্ত । ফরিদপুর ‌‌জেলার আলফাডাঙ্গা কুরআন অবমাননার প্রতিবাদে মানববন্ধন , নারী দিবস ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ঢাকায় SAAB ও রাশিয়ান হাউসের আয়োজনে পিঠা উৎসব-

newspostbd24.com

এমএন লারমার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পাহাড়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজী চলছে

এমএন লারমার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পাহাড়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজী চলছে

ফাইল ছবি

পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা মানবেন্ত্র নারায়ন লারমার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তিন পার্বত্য জেলায় বেপরোয়া চাঁদাবাজী শুরু করেছে উপজাতীয় আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর একাংশ। তিন পার্বত্য জেলায় অনুসন্ধান চালিয়ে, সাধারণ মানুষ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে কথা বলে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, আগামী ১০ নভেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা (এম এন লারমা) এর ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮৩ সালের এই দিনে তিনি নিজ দলের বিদ্রোহী সশস্ত্র শাখার গুলিতে নিহত হয়েছিলেন। এই দিনটিকে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি সশস্ত্র সংগঠনের একটি অংশ জুম্মজাতির শোক দিবস হিসেবে পালন করে ।

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের কাছে জাতির পিতা “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব” হলেও, উপজাতি সশস্ত্র সংগঠনের ঐ গ্রুপ দাবী করে এম এন লারমা তাদের  জাতির পিতা। কিন্তু, তারা যাকে তাদের জাতির পিতা বলে মান্য করে ৩৪ বছর পার হয়ে গেলেও তারা তাদের সেই জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার চায়নি কখনও।

অথচ পার্বত্য চট্টগ্রামে যে কোন উপজাতি ব্যক্তি খুন হলে অথবা ছোটখাট অনেক বিষয় নিয়ে তারা দেশে-বিদেশে সরকার, সেনাবাহিনী এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালিদের ঘাড়ে মিথ্যা দোষ চাপিয়ে নানান ধরণের প্রচার প্রচারণা চালালেও নিজ জাতির পিতা বলে খ্যাত এত বড় একজন নেতার হত্যাকারী কারা, তিনি কেন মারা গিয়েছিলেন, হত্যাকারীরা এখন কোথায় কি অবস্থায় আছে এ সমস্ত বিষয়গুলি নিয়ে তারা কখনই দাবি বা আন্দোলন করেনি। উপজাতিদের এই নীরবতা জনমনে প্রশ্ন এবং সন্দেহের উদ্রেক সৃষ্টি করে।

ইতিহাসের ঘটনাবলী থেকে জানা যায় যে, এম এন লারমা পাহাড়ি ছাত্র সমিতির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষিত তরুণদের সংগঠিত করেন এবং ১৯৭২ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। সাবেক সংসদ সদস্য মি. রোয়াজা ছিলেন উক্ত সংগঠনের সভাপতি এবং এম এন লারমা ছিলেন সাধারণ সম্পাদক। ১৯৭০ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে এম এন লারমা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচনেও এম এন লারমা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন।

এম এন লারমা সংসদ সদস্য হিসাবে নিয়মতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিচালনাকালে পাহাড়ি ছাত্র সমিতিসহ কতিপয় তরুণদের সাথে তার ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ১৯৭৩ সালে এম এন লারমা জনসংহতি সমিতির একটি সশস্ত্র গ্রুপ গঠন করেন, পরে তা শান্তিবাহিনী রূপে পরিচিতি লাভ করে।

১৯৭৬ সালে ক্ষমতার লোভ, স্বার্থপরতা, দলীয় মতাদর্শসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শান্তিবাহিনীর মধ্যে বিভক্তি দেখা দেয়। এ সময় এম এন লারমা চীনাপন্থী ও প্রীতি কুমার চাকমা ভারতপন্থী নীতি গ্রহণ করেন।

১৯৮১ সালে শান্তিবাহিনী সম্পূর্ণ রূপে দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই সময় দলীয় কোন্দল চরম আকার ধারণ করে যার ফলে নিজেদের মধ্যে মারামারি আর হানাহানিতে শান্তিবাহিনীর শতাধিক সদস্য নিহত হয়।

এই ঘটনার জের ধরেই ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর আন্তঃদলীয় কোন্দল আর ক্ষমতার লোভের বলি হিসেবে প্রতিপক্ষ প্রীতি গ্রুপের সশস্ত্র হামলায় নিহত হন এম এন লারমা।

এ প্রসংগে ১৮ নভেম্বর ১৯৮৩ সালে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয় যে, “তথাকথিত শান্তিবাহিনীর প্রধান এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির চেয়ারম্যান মি: মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা নিহত হইয়াছেন।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়া গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাত্রে আমাদের রাংগামাটি সংবাদদাতা জানান, মি: লারমা গত ১০ই নভেম্বর সীমান্তের অপর পারে ভারতে ইমারা গ্রামে বাগমারা নামক স্থানে শান্তিবাহিনীর কল্যানপুর ক্যাম্পে প্রতিদ্বন্দ্বী শান্তিবাহিনীর ‘প্রীতি’ গ্রুপের সদস্যদের হামলায় নিহত হইয়াছেন”।

বিভিন্ন তথ্য বিবরণী এবং ইতিহাস থেকে জানা যায় যে, শান্তিবাহিনীর ক্যাপ্টেন এলিনের নেতৃত্বে প্রীতিগ্রুপের আট-দশজনের একটি সুইসাইডাল স্কোয়াড এম এন লারমা গ্রুপের শিবিরে সশস্ত্র অভিযান চালায়। উক্ত হামলায় মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার সাথে তার বড় ভাইয়ের শ্যালক মনি চাকমা, খাগড়াছড়ি হাই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক অপর্ণা চরম চাকমা, কল্যানময় চাকমা ও স্বঘোষিত লেফটেনেন্ট রিপনসহ শান্তিবাহিনীর মোট আটজন সদস্য ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান।

ঘটনার পরপর প্রীতি কুমার চাকমা তার দলবল নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় এম এন লারমা গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদেরকেও হত্যা করার জন্য খুঁজে বেড়াতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ নভেম্বর ১৯৮৩ সালে একই দিনে প্রীতি গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা খাগড়াছড়ির তৎকালীন লতিবান পুলিশ ক্যাম্পের এক মাইল পূর্বে এম এন লারমার মামার বাড়িতে অবস্থানরত শান্তিবাহিনীর সদস্যদের উপরও আক্রমন চালায়। কিন্তু উক্ত আক্রমনে অবশ্য কেউ হতাহত হয়নি।

এম এন লারমার মৃত্যুর পর জনসংহতি সমিতির পূর্ণ নেতৃত্ব চলে যায় তার আপন ভাই সন্তু লারমার হাতে যিনি বর্তমানে জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান। সন্তু লারমার পাশাপাশি বর্তমানে উল্লেখযোগ্য উপজাতি নেতার মধ্যে আছেন সাবেক শান্তিবাহিনী কমান্ডার ঊষাতন তালুকদার যিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে একজন নির্বাচিত সাংসদ এবং জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য। এম এন লারমার মৃত্যুর ৩৪ বছর হয়ে গেলেও জনসংহতি সমিতির নেতারা কখনই তাদের অবিসংবাদিত নেতা এম এন লারমার হত্যার বিচার চায়নি।

১০ নভেম্বর উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর একাংশ বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করে থাকে। কিন্তু তারা তাদের নতুন প্রজন্মের কাছে এই মৃত্যুর ইতিহাস চাপা দিয়ে রেখে শুধুমাত্র দিবসটিকে জুম্ম জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করে। কারণ এই ঘটনার মধ্যে তাদের জাতিগত হিংস্রতা আর বিভেদের চিত্র প্রকাশ পায়।

তাই এই ঘটনা নতুন প্রজন্মের কাছে তারা কৌশলে গোপন করে রাখে। প্রতি বছর এই দিবসকে সামনে রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি  সশস্ত্র সংগঠণগুলোর চাঁদাবাজির তৎপরতা বেপরোয়াভাবে বৃদ্ধি পায়। এতে করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সকল শ্রেণী-পেশার সাধারণ উপজাতি ও বাঙালিরা ঐসব সশস্ত্র সংগঠনগুলোর হুমকির মুখে চাঁদা দিতে বাধ্য হয়। প্রাণভয়ে এ বিষয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।

চলতি বছরও ১০ নভেম্বরকে সামনে রেখে পাহাড়ে চলছে ব্যাপক চাঁদাবাজি। বিভিন্ন ব্যক্তি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান, কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, যানবাহন মালিক সমিতি, ব্রিকফিল্ড সমিতি, জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড, ব্যাংক, এনজিও, সরকারি/বেসরকারি অফিস ইত্যাদি থেকে চিঠি দিয়ে রশিদের মাধ্যমে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।

পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের চাঁদা আদায়ের এরকম একটি রশিদ এই প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। মূলতঃ ১০ নভেম্বরকে পুঁজি করে উপজাতি সংগঠণগুলো ব্যাপক চাঁদাবাজি করে নিজেদেরকে আর্থিকভাবে হৃষ্টপুষ্ট করছে। ১০ নভেম্বর এখন আর জুম্ম জাতির শোক দিবস নয় বরং অবৈধ চাঁদা আদায়ের বাণিজ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে পাহাড়ের স্থাণীয় ভূক্তভোগীরা জানান।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2026 Newspostbd24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com