সিনিয়র উপসচিব ও যুগ্মসচিবদের টপকে নিজ ক্ষমতাবলে কার্যালয়ের আদেশ জারি করে একই সাথে ৫টি শীর্ষ পদের দায়িত্ব নিজের দখলে নিয়েছেন তিনি:
যুগ্মসচিব (প্রশাসন অধিশাখা), আইসিটি বিভাগ
মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব), আইসিটি অধিদপ্তর
সদস্য (প্রশাসন ও কারিগরি), বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ
সদস্য (বিনিয়োগ ও পার্ক সমন্বয়), বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ
প্রকল্প পরিচালক (PD), ১৪টি জেলাভিত্তিক আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার
স্থাপন প্রকল্প :একই ব্যক্তি প্রশাসনিক প্রধান, প্রকিউরমেন্ট (ক্রয়) কমিটির প্রধান এবং প্রকল্প পরিচালক হওয়ায় সরাসরি ‘স্বার্থের সংঘাত’ (Conflict of Interest) তৈরি হয়েছে। তিনি নিজেই টেন্ডারের শর্ত ও বাজেট তৈরি করছেন এবং নিজেই তা অনুমোদন দিচ্ছেন। সংযুক্তি নিম্নরূপ:২. সিন্ডিকেট ও কমিশন বাণিজ্য
অনুসন্ধানে দেখা যায়, সাইফুল হাসান তার ব্যক্তিগত পরিচিত ছোট ঠিকাদার মোঃ সিয়াম -কে মাধ্যম বানিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন।
ডিজিটাল ডিভাইস ইনোভেশন এক্সপো: ৫ কোটি টাকার প্রাক্কলিত বাজেটের এই মেলা আযোজনের টেন্ডার হওয়ার আগেই অনানুষ্ঠানিকভাবে পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ থেকে সাইফুল হাসান ৩০ লাখ টাকা কমিশন হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

RFQ জালিয়াতি: ১০ লাখ টাকার মধ্যকার ছোট কেনাকাটাগুলো (যেমন: ৭ লাখ টাকার ক্যালেন্ডার, ১ লাখ টাকার বার্ষিক প্রতিবেদন এবং ১০ লাখ টাকার অডিট কাজ) কোনো প্রতিযোগিতা ছাড়াই সিয়ামের মাধ্যমে সুবিধাজনক সংস্থাকে দিয়ে কমিশন ভাগিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এই ঘুষ ও কমিশনের টাকা সংগ্রহের দায়িত্বে রয়েছে তার অনুগত হিসাবরক্ষক মোশাররফ হোসেন পারভেজ এবং উপ-পরিচালক শাহরিয়ার আল হাসান।বিলাসী অফিস সাজসজ্জা ও জনতা টাওয়ার কেলেঙ্কারি জনগণের করের টাকার অপচয় করে নিজের বসার রুম সাজানোকে অভ্যাসে পরিণত করেছেন এই কর্মকর্তা।
৩০ লাখের সাজসজ্জা বিল: আগে থেকে সুসজ্জিত রুম ভেঙে তিন ফ্লোরে তিনটি নতুন রুম সাজানোর দোহাই দিয়ে ৩০ লাখ টাকা বিল উত্তোলন করা হয়। বাস্তবে খরচ হয়েছে ১৭ লাখ টাকা, বাকি ১৩ লাখ টাকা ঠিকাদার সিয়ামের মাধ্যমে তার পকেটে গেছে।
জনতা টাওয়ার রেনোভেশন দুর্নীতি: কারওয়ান বাজারের জনতা টাওয়ারের ১৪ কোটি টাকার রেনোভেশন কাজটি কারিগরিভাবে যোগ্য প্রতিষ্ঠান ‘ডক ইয়ার্ড’-কে বাদ দিয়ে একটি অদক্ষ প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় পার হলেও কাজের ৫% সম্পন্ন হয়নি। এর ফলে পূর্বের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরাতে গিয়ে রাষ্ট্রকে বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত
ভুয়া সেমিনার, ভুয়া প্রশিক্ষণ ও সম্মানী আত্মসাৎ
আইসিটি বিভাগের অধীনস্থ ২৭টি প্রকল্পে মানসিক চাপ তৈরি করে নিজেকে ‘কী-নোট স্পিকার’, ‘সঞ্চালক’ ও ‘প্রশিক্ষক’ বানিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি।
সিসিএ, আইসিটি অধিদপ্তর, কম্পিউটার কাউন্সিল ও এটুআই-এর সেমিনারে সশরীরে উপস্থিত না থেকেও বা মাত্র ৩০-৩৪ মিনিট উপস্থিত থেকে পুরো সম্মানী তুলে নিয়েছেন।
১৪টি আইটি প্রকল্পের সেমিনার খাত থেকে ৩.৫ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত অগ্রিম তুলে আত্মসাৎ করেছেন।
প্রকল্পের নির্ধারিত এলাকার বাইরে গিয়ে নিজ জেলা কুমিল্লায় নিজের বা বাবার কর্তৃত্বাধীন স্কুল-কলেজে সেমিনারে অর্থ ব্যয় ও টি-শার্ট/গেঞ্জি বিতরণ দেখিয়ে টাকা তছরুপ করেছেন।
বদলি বাণিজ্য ও রাজনৈতিক ট্যাগিং আইসিটি অধিদপ্তরকে বদলি বাণিজ্যের কেন্দ্রে পরিণত করেছেন সাইফুল হাসান। প্রোগ্রামার আব্দুল ওয়াদুদ ও সালামকে ঢাকায় বদলি করার বিনিময়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন এমন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
কর্মকর্তাদের ওপর রাজনৈতিক ট্যাগ লাগিয়ে মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। ৫ আগস্টের পর সংস্কারকামী কর্মকর্তাদের হয়রানি করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট আমলের বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পুনর্বাসন করছেন।
এর উদাহরণ হিসেবে, কুমিল্লা শহরের এক ভাঙাড়ি ব্যবসায়ীর ছেলে এবং সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মোশাররফ হোসেন পারভেজকে অর্থের বিনিময়ে ঢাকায় বদলি করে আনার অভিযোগ রয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের জিম্মি করে ঘুষ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ
বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মেম্বার (বিনিয়োগ) পদে থেকে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন ফাইল আটকে রেখে শাহরিয়ার আল হাসান ও মোশাররফ হোসেন পারভেজের মাধ্যমে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, শাহরিয়ার আল হাসান তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার একটি জুলাই হত্যা মামলার ১৬ নম্বর আসামি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
অবৈধ ভেটিং ফি: কালিয়াকৈরে PlmPay Fintech Limited-এর জমি বরাদ্দ চুক্তিতে সরকারি নিয়মবহির্ভূতভাবে ‘ভেটিং ফি’ নামে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে।
ভুয়া সেমিনার, ভুয়া প্রশিক্ষণ ও সম্মানী আত্মসাৎ
আইসিটি বিভাগের অধীনস্থ ২৭টি প্রকল্পে মানসিক চাপ তৈরি করে নিজেকে ‘কী-নোট স্পিকার’, ‘সঞ্চালক’ ও ‘প্রশিক্ষক’ বানিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি।
সিসিএ, আইসিটি অধিদপ্তর, কম্পিউটার কাউন্সিল ও এটুআই-এর সেমিনারে সশরীরে উপস্থিত না থেকেও বা মাত্র ৩০-৩৪ মিনিট উপস্থিত থেকে পুরো সম্মানী তুলে নিয়েছেন।১৪টি আইটি প্রকল্পের সেমিনার খাত থেকে ৩.৫ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত অগ্রিম তুলে আত্মসাৎ করেছেন।প্রকল্পের নির্ধারিত এলাকার বাইরে গিয়ে নিজ জেলা কুমিল্লায় নিজের বা বাবার কর্তৃত্বাধীন স্কুল-কলেজে সেমিনারে অর্থ ব্যয় ও টি-শার্ট/গেঞ্জি বিতরণ দেখিয়ে টাকা তছরুপ করেছেন।
বদলি বাণিজ্য ও রাজনৈতিক ট্যাগিং
আইসিটি অধিদপ্তরকে বদলি বাণিজ্যের কেন্দ্রে পরিণত করেছেন সাইফুল হাসান।প্রোগ্রামার আব্দুল ওয়াদুদ ও সালামকে ঢাকায় বদলি করার বিনিময়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন।
কর্মকর্তাদের ওপর রাজনৈতিক ট্যাগ লাগিয়ে মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। ৫ আগস্টের পর সংস্কারকামী কর্মকর্তাদের হয়রানি করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট আমলের বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পুনর্বাসন করছেন।এর উদাহরণ হিসেবে, কুমিল্লা শহরের ভাঙাড়ি ব্যবসায়ীর ছেলে ও সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ মোশাররফ হোসেন পারভেজকে টাকার বিনিময়ে ঢাকায় বদলি করে এনেছেন।
বিনিয়োগকারীদের জিম্মি ও ডোনেশন চাঁদাবাজি
বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মেম্বার (বিনিয়োগ) পদে বসে দেশি-বিদেশি বিনিযোগকারীদের ফাইল আটকে রেখে শাহরিয়ার আল হাসান ও মোশাররফ পারভেজের মাধ্যমে ঘুষ আদায় করা হচ্ছে।
অবৈধ ভেটিং ফি: কালিয়াকৈরে PlmPay Fintech Limited-এর জমি বরাদ্দ চুক্তিতে সরকারি নিয়মবহির্ভূতভাবে ‘ভেটিং ফি’ নামে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে।
ভুয়া সেমিনার, ভুয়া প্রশিক্ষণ ও সম্মানী আত্মসাৎ
আইসিটি বিভাগের অধীনস্থ ২৭টি প্রকল্পে মানসিক চাপ তৈরি করে নিজেকে ‘কী-নোট স্পিকার’, ‘সঞ্চালক’ ও ‘প্রশিক্ষক’ বানিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি। সিসিএ, আইসিটি অধিদপ্তর, কম্পিউটার কাউন্সিল ও এটুআই-এর সেমিনারে সশরীরে উপস্থিত না থেকেও বা মাত্র ৩০-৩৪ মিনিট উপস্থিত থেকে পুরো সম্মানী তুলে নিয়েছেন।
১৪টি আইটি প্রকল্পের সেমিনার খাত থেকে ৩.৫ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত অগ্রিম তুলে আত্মসাৎ করেছেন।প্রকল্পের নির্ধারিত এলাকার বাইরে গিয়ে নিজ জেলা কুমিল্লায় নিজের বা বাবার কর্তৃত্বাধীন স্কুল-কলেজে সেমিনারে অর্থ ব্যয় ও টি-শার্ট/গেঞ্জি বিতরণ দেখিয়ে টাকা তছরুপ করেছেন।
বদলি বাণিজ্য ও রাজনৈতিক ট্যাগিং
আইসিটি অধিদপ্তরকে বদলি বাণিজ্যের কেন্দ্রে পরিণত করেছেন সাইফুল হাসান।প্রোগ্রামার আব্দুল ওয়াদুদ ও সালামকে ঢাকায় বদলি করার বিনিময়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন কর্মকর্তাদের ওপর রাজনৈতিক ট্যাগ লাগিয়ে মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। ৫ আগস্টের পর সংস্কারকামী কর্মকর্তাদের হয়রানি করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট আমলের বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পুনর্বাসন করছেন।
এর উদাহরণ হিসেবে, কুমিল্লা শহরের ভাঙাড়ি ব্যবসায়ীর ছেলে ও সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ মোশাররফ হোসেন পারভেজকে টাকার বিনিময়ে ঢাকায় বদলি করে এনেছেন।
বিনিয়োগকারীদের জিম্মি ও ডোনেশন চাঁদাবাজি বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মেম্বার (বিনিয়োগ) পদে বসে দেশি-বিদেশি বিনিযোগকারীদের ফাইল আটকে রেখে শাহরিয়ার আল হাসান ও মোশাররফ পারভেজের মাধ্যমে ঘুষ আদায় করা হচ্ছে।
অবৈধ ভেটিং ফি: কালিয়াকৈরে PlmPay Fintech Limited-এর জমি বরাদ্দ চুক্তিতে সরকারি নিয়মবহির্ভূতভাবে ‘ভেটিং ফি’ নামে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত জমি বরাদ্দ: লাইট হেভেন লিমিটেডকে অতিরিক্ত জমি বরাদ্দের বিনিময়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ করা হয়েছে। এমনটি গুরুত্বপূর্ণ তার বিরুদ্ধে।
ডোনেশন বাণিজ্য: জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জাবিপ্রবি), নেত্রকোনা সরকারি কলেজ এবং কুমিল্লা বুড়িচংয়ের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন আইটি কোম্পানি থেকে চাঁদা আদায় করছেন। সামিট গ্রুপসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ডোনেশন নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করেছেন।

ধরা পড়ার ভয়ে তথ্য গোপন করে বিদেশে চম্পট তার এসব জালিয়াতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড গোপন রাখতে প্রশাসনিক ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করা হচ্ছে। সম্প্রতি (২২ জুলাই ২০২৬) সরকারের নীতিমালা লঙ্ঘন করে ও সংবাদমাধ্যমের নজর এড়াতে ৫ সদস্যের দল নিয়ে সিঙ্গাপুর ভ্রমণে যান তিনি। বিদেশ ভ্রমণের সরকারী আদেশটি (G.O.) ওয়েবসাইট থেকে গোপন রাখা হয় এবং বিমানে ওঠার ঠিক পূর্বমুহূর্তে তা প্রকাশ করা হয়, যাতে সাংবাদিকরা কোনো খবর পরিবেশন করতে না পারেন।
মোহাম্মদ সাইফুল হাসান: দুর্নীতির অভিযোগ ও প্রশাসনের ভেতরে চরম অসন্তোষ
ক্ষমতার অপব্যবহার: পদমর্যাদা ও রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রশাসনিক নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করার অভিযোগ।
সুশাসন হুমকিতে: ক্ষমতার অশুভ কেন্দ্রীকরণ ঘটিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও ঘুষ বাণিজ্য চালানের গুরুতর দাবি। দুদকের হস্তক্ষেপ দাবি: অনিয়ম খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের জরুরি ও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছেন সচেতন কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ভোরের বাংলাদেশ-কে বলেন, “আমার অফিসে আসেন অথবা সচিব মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলেন। আমার সম্পর্কে সব তথ্য জানতে পারবেন। আমি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই।
Leave a Reply