বিশেষ রিপোর্ট:
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজি, মাছ এবং মাংস বিক্রির সময় রঙিন লাইট ব্যবহার বাড়ছে।
ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃত্রিম আলো ব্যবহার করে কোনো পণ্যকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সতেজ বা আকর্ষণীয় দেখানো হলে তা ভোক্তার সঠিক তথ্য জানার অধিকারের পরিপন্থী হতে পারে। ফলে ক্রেতারা পণ্যের প্রকৃত মান যাচাই করতে সমস্যায় পড়েন।
বাজারে আসা ক্রেতা জানান, অনেক সময় নীল বা রঙিন আলোর কারণে মাছ দেখতে বেশি টাটকা মনে হলেও বাসায় নেওয়ার পর প্রকৃত অবস্থা ভিন্ন পাওয়া যায়। একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে মাংস ও সবজির ক্ষেত্রেও।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, বাজারকে আলোকিত ও আকর্ষণীয় রাখতে এসব আলো ব্যবহার করা হয়।
তবে ভোক্তা অধিকার কর্মীরা বলছেন, যদি আলোর কারণে পণ্যের প্রকৃত রং পরিবর্তিত ভাবে উপস্থাপিত হয়, তাহলে তা নিয়মবহির্ভূত হিসেবে বিবেচিত হয়।
“মাছের টাটকা ভাব, মাংসের রং কিংবা সবজির সতেজতা—ক্রেতারা সাধারণত এসব দেখেই কেনার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে রঙিন ও নীল আলোর ব্যবহারে সেই সিদ্ধান্ত কতটা নির্ভুল হচ্ছে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
অভিযোগ রয়েছে, এসব আলোর কারণে পণ্যের প্রকৃত রং ও মান সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে, যা ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করার ঝুঁকি বাড়ায়।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারকে আকর্ষণীয় ও উজ্জ্বল দেখাতেই এ ধরনের আলোর ব্যবহার।
তবে ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টদের মতে, যদি কোনো আলোকসজ্জা পণ্যের প্রকৃত অবস্থা আড়াল করে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে, তাহলে তা ভোক্তার সঠিক তথ্য জানার অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
বাজারজুড়ে রঙিন আলোর এই ব্যবহার কতটা নিয়মসঙ্গত এবং এ বিষয়ে তদারকি কতটা কার্যকর—সেই প্রশ্ন এখন ভোক্তাদের।
Leave a Reply